Author: সংবাদপ্রবাহ
নিজস্ব প্রতিবেদক: বেশ কয়েক বছর ধরেই প্রসার হচ্ছে দেশে ই-কমার্স ব্যবসা। তবে করোনা মহামারী শুরু হলে নতুন নতুন বেশ কিছু কোম্পানি রাতারাতি ফুলে ফেঁপে উঠে। বাজারমূল্যের চেয়ে অর্ধেক দামে পণ্য বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকের হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান। অনেকে অর্ধেক দামে পণ্য কিনে পরে বেশি দামে বিক্রির আশায় এসব কোম্পানিতে লাখ লাখ টাকার অর্ডার করেছেন। যাদের অনেকেই আবার নেমেছেন রাজপথে। তবে গ্রাহকদের পণ্য বা টাকা ফেরত পাওয়া নিয়ে বাড়ছে সংশয়। এক অনুসন্ধানে জানা যায় যে, বাইক পণ্য ডেলিভারির আড়ালে ‘চেক ডেলিভারি’ নামে এক অভিনব আর্থিক কৌশলের অভিযোগে আলোচনায় এসেছেন এস কে ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী ব্যবসায়ী বাজাজ…
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে পাঠদান নিশ্চিত করার কথা থাকলেও ফরিদপুরের সালথা উপজেলার ১২ নম্বর সিংহপ্রতাপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এর ব্যতিক্রম চিত্র দেখা যাচ্ছে। এখানে শিক্ষার্থীদের মাসিক বেতন দিয়ে পড়াশোনা করতে বাধ্য করা হচ্ছে, পাশাপাশি বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষেই চলছে ব্যক্তিগত কোচিং বা প্রাইভেট পাঠদান। বিদ্যালয়টিতে কর্মরত ৮ জন শিক্ষকের মধ্যে ৬ জন নিয়মিতভাবে প্রাইভেট পড়ানোর সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। এদের কেউ কেউ ক্লাস চলাকালীন, কেউ মধ্যাহ্ন বিরতিতে, আবার কেউ ক্লাসের বাইরে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ ব্যবহার করে প্রাইভেট পড়ান। এতে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ও বিশ্রামের সময়ও ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে শ্রেণিকক্ষ ব্যবহারের কারণে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যয় বহন করতে হচ্ছে সরকারকে। সবচেয়ে আলোচিত…
ফরিদপুরের সালথায় স্বঘোষিত শিক্ষক নেতা সাহেবুলের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দূর্নীতিরঅভিযোগ পাওয়া গেছে। শিক্ষার্থীকে যৌন নিপিড়ন, সেই ঘটনায় জেলে থাকাকালিন সময়েরবেতন উত্তোলন, পাঠদান না করে উপজেলা সদরে ঘোরাঘুরি, বিদ্যালয়ের শ্রেণি কক্ষেপ্রাইভেট পড়ানো, বিভিন্ন অজুহাতে ( বেতন সমতাকরণ ও বকেয়া প্রাপ্তি, স্লিপ ফান্ড, ওয়াশব্লক মেরামত, রুটিন মেরামত) শিক্ষকদের কাছ থেকে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ, বিদ্যালয়ের পুরাতন ঘরের মালামাল বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ, নিজেকে রাজনৈতিক দলেরনেতা দাবি করা, স্বেচ্ছাচারী হয়ে তাঁর মতের বিরোধী শিক্ষকদের সাথে অসৌজন্যমূলকআচরণ, হুমকি-ধামকী ও ভয় ভীতি প্রদর্শনসহ তাঁর বিরুদ্ধে রয়েছে নানা অভিযোগ। আরদিন দিন এই অনিয়ম ও দূর্নীতি বেড়েই চলছে। শিক্ষক নেতা সাহেবুল ইসলাম উপজেলার ১২ নং সিংহপ্রতাপ…
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে আকোটের চর ভাঙা ব্রিজ সংলগ্ন শাহাদাত বেপারী মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে নাইট শর্টপিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৬। স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে মোট আটটি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। টানটান উত্তেজনার মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতা শেষে ফাইনালে ওঠে দোয়েল এক্সপ্রেস ও ভাই ভাই ক্রিকেট ক্লাব। ফাইনাল ম্যাচে দারুণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে ভাই ভাই ক্রিকেট ক্লাব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। খেলাটি ঘিরে মাঠজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ, যেখানে স্থানীয় দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি পুরো আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। টুর্নামেন্টের প্রধান আয়োজক অ্যাডভোকেট রাসেল মাহমুদ রিয়ান জানান, এই ধরনের ক্রীড়া আয়োজন প্রতি বছর ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, সামাজিক…
৩৭.৬৫% হ্যাঁ ভোট, ৬২.৩৫% নীরবতা—জনগণের মত কি সত্যিই প্রতিফলিত হলো? যাদের অঙ্ক কঠিন মনে হয়, তাদের জন্য বিষয়টি খুবই সরল। মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লক্ষ। এর মধ্যে “হ্যাঁ” ভোট পড়েছে ৪,৮০,৭৪,৪২৯, অর্থাৎ মোট ভোটারের ৩৭.৬৫%। অন্যদিকে “না” ভোট, বাতিল ভোট এবং যারা ভোটই দেননি সব মিলিয়ে দাঁড়ায় ৬২.৩৫%। অর্থাৎ সংখ্যার সরল ভাষায়, মোট ভোটারের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ “হ্যাঁ” মতামতের বাইরে অবস্থান করছে। এখানেই মূল প্রশ্নটি তৈরি হয় মাত্র ৩৭.৬৫% মতামতের উপর ভিত্তি করে কি পুরো জনগণের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত নির্ধারণ করা যায়? নাকি এই ফলাফল আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে একটি বড় অংশ হয় দ্বিমত পোষণ করেছে, নয়তো তাদের মতামত প্রকাশের…
বাংলাদেশের সড়কে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ চলাচল করেন। এই ব্যস্ত সড়কে দুর্ঘটনা, ট্রাফিক আইন ভঙ্গ, ছিনতাই কিংবা চোরাচালানের মতো নানা অপরাধ প্রায়ই ঘটে থাকে। এসব ঘটনার মুখোমুখি সবচেয়ে আগে যে পুলিশ সদস্যরা হন, তারা হলেন ট্রাফিক বিভাগের পুলিশ সার্জেন্টরা। অনেকেই তাই পুলিশ সার্জেন্টদের বাংলাদেশ পুলিশের “দর্পণ” বলে থাকেন। কারণ সড়কে পুলিশের উপস্থিতির সবচেয়ে দৃশ্যমান প্রতীকই হলো এই সার্জেন্টরা। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সড়কে অপরাধ ও দুর্ঘটনার প্রথম সাক্ষী হয়েও অনেক ক্ষেত্রে তারা তদন্ত পরিচালনার আনুষ্ঠানিক ক্ষমতা থেকে বঞ্চিত। ফলে প্রশ্ন উঠছে যেখানে সার্জেন্টরা ঘটনাস্থলে প্রথম উপস্থিত হন, সেখানে তদন্তের ক্ষমতা তাদের দেওয়া হবে না কেন? পিআরবি বিধি ৭৩৯(২) অনুযায়ী পুলিশ সার্জেন্টরা নিরস্ত্র…
নাক দিয়ে রক্ত পড়া বা Epistaxis আমাদের সমাজে খুবই পরিচিত একটি স্বাস্থ্যসমস্যা। শিশু থেকে বয়স্ক সব বয়সের মানুষের মধ্যেই এটি দেখা যায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এটি সামান্য কারণে ঘটে এবং কিছু সময়ের মধ্যেই নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যায়। তবে অনেক সময় এর পেছনে গুরুতর কারণও থাকতে পারে। তাই নাক দিয়ে রক্ত পড়লে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই, আবার বিষয়টিকে সম্পূর্ণভাবে অবহেলাও করা উচিত নয়। নাকের ভেতরের অংশে অসংখ্য সূক্ষ্ম রক্তনালি থাকে। সামান্য আঘাত, নাক খোঁটা কিংবা অতিরিক্ত শুষ্কতার কারণেও এসব রক্তনালি ফেটে যেতে পারে। শুষ্ক আবহাওয়া, ঠান্ডা বাতাস, সর্দি-কাশি, অ্যালার্জি বা সাইনাসের সমস্যাও অনেক সময় নাক দিয়ে রক্ত পড়ার কারণ হয়।…
প্রেস বিজ্ঞপ্তি: ঈদ মানেই আনন্দ ভাগ করে নেওয়া। এই আনন্দকে আরও অর্থবহ করতে দেশের শীর্ষ ডিজিটাল সার্ভিস প্ল্যাটফর্ম পাঠাও তাদের রাইডার ও ডেলিভারি পার্টনারদের জন্য আয়োজন করেছে বিশেষ ‘পাঠাও ঈদ বাজার’। সারা বছর নিরলসভাবে কাজ করা পাঠাও হিরোদের সম্মান জানাতে এবং তাদের উৎসবের আনন্দে সামিল করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রাইড শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি ও পার্সেল সার্ভিসের মাধ্যমে প্রতিদিন লাখো মানুষের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন পাঠাও হিরোরা। তাদের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই বিশেষ আয়োজন করা হয়। এতে পাঠাওয়ের রাইডস, ফুড এবং পার্সেল সার্ভিসের সেরা ৫০০ জন পারফর্মিং রাইডার ও ডেলিভারি পার্টনারকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। এই ‘ঈদ বাজার’ থেকে তারা নিজেদের এবং…
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ)-এ দীর্ঘদিন ধরে সিন্ডিকেট ও প্রশাসনিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট একাধিক অভ্যন্তরীণ সূত্রের দাবি, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী এ.কে.এম আজাদ রহমান এবং তার সহযোগী ইঞ্জিনিয়ার নুরু ইসলাম বিভাগের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে প্রভাব রাখছেন। সূত্র জানায়, ২০০৭-০৮ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে অনেক কর্মকর্তা ট্রুথ কমিশনের মুখোমুখি হন। সে সময় এ.কে.এম আজাদ রহমান-এর নামও আলোচনায় আসে বলে দাবি করা হয়। পরবর্তীতে তিনি প্রশাসনে ফিরে এসে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। প্রশাসনিক মহলে আলোচনা রয়েছে, রাজনৈতিক যোগাযোগ ও প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সম্পর্ক তার অবস্থানকে শক্ত করেছে। বিশেষ করে সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের-এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার বিষয়টি নিয়ে নানা…
লক্ষ্মীপুর জেলার চারটি সংসদীয় আসনে এবারের নির্বাচন দলীয় দ্বন্দ্বের চেয়ে বেশি হয়ে উঠেছে ভোটার পুনর্বিন্যাসের পরীক্ষা। আওয়ামী লীগ মাঠে সরাসরি অনুপস্থিত থাকায় তাদের ঐতিহ্যগত ভোট একটি ফ্লোটিং ব্লক হিসেবে ঘুরছে। এই ব্লক কোথায় যাবে-বিএনপির দিকে, জামায়াতের দিকে, নাকি ভোটকেন্দ্রেই যাবে না; এই প্রশ্নের উত্তরই ফল নির্ধারণ করবে। ইউনিয়নভিত্তিক ভোটের অঙ্ক দেখলেই স্পষ্ট হয়, কোথায় বিএনপি এগিয়ে, কোথায় জামায়াত কাটছে, আর কোথায় আওয়ামী ভোটই সুইং ফ্যাক্টর। লক্ষ্মীপুরু-১ (রামগঞ্জ) আসনে কাঞ্চনপুর ও ইছাপুর ইউনিয়নে বিএনপির সংগঠিত ভোট সবচেয়ে দৃশ্যমান। বিশ্লেষণ অনুযায়ী এই দুই ইউনিয়নে মোট ভোটের প্রায় ৪৫-৫০ শতাংশ বিএনপির ঘরে যেতে পারে, যেখানে আওয়ামী লীগের ঐতিহ্যগত ভোট ২২-২৪ শতাংশ এবং জামায়াতের…
