ফরিদপুর শহরের পরিচিত নাম শক্তি ডি গুপ্তা। বয়স কিংবা পদ-পদবির ঊর্ধ্বে উঠে তিনি মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। মানবিকতা ও সেবার অনন্য দৃষ্টান্ত তিনি। যেনো আলোকবর্তিকা হয়ে এসেছহেন সবার জন্য।
ফরিদপুর পৌর মহাশ্মশান ঘাট ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ভক্ত-সেবায় প্রসাদ গ্রহণের জন্য বসার ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা ছিলো অনেকদিনের। রোববার (২১শে সেপ্টেম্বর) বিকেলে বহুদিনের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করেছেন শক্তি ডি গুপ্তা। এ উদ্যোগকে ঘিরে ভক্তবৃন্দের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে আনন্দের জোয়ার। স্থানীয়রা মনে করেন, এটি কেবল বসার জায়গা নয়। বরং এক মহতহৃদয়ের মানুষের ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতার বহিঃপ্রকাশ।
শ্মশান উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ কমিটি জানায়, ‘দীর্ঘদিন ধরে ভক্তদের জন্য এই ধরনের উদ্যোগের প্রয়োজন ছিল। শক্তি ডি গুপ্তা সেই দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন। এর মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেছেন তিনি সত্যিই একজন নিরহংকারী সমাজসেবক। এই সময়ে তিনি শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে দুই হাজার পাঁচ শত পরিবারের মাঝে শাড়ি- লুঙ্গি বিতরণ করেন।
কেবল এই অবদান নয়, ফরিদপুরের বিভিন্ন শিক্ষা, ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন শক্তি ডি গুপ্তা। তাঁর আন্তরিকতা ও শ্রমে মানুষ একের পর এক ইতিবাচক পরিবর্তন প্রত্যক্ষ করছে।
সবচেয়ে বড় কথা, দলমত, বর্ণ কিংবা ধর্ম নির্বিশেষ শক্তি ডি গুপ্তা আজ ফরিদপুরবাসীর আপন মানুষ। সাধারণ মানুষ বলে থাকেন ‘তিনি কোনো দলের জন্য নন, তিনি পুরো ফরিদপুরের জন্য।‘
এক ভক্ত আবেগঘন মন্তব্য করেন, ‘ডি গুপ্তা দাদা শুধু একজন সমাজসেবক নন, তিনি আমাদের প্রেরণা। মানবিকতা, সেবা আর ভালোবাসায় তিনি যে দৃষ্টান্ত গড়েছেন, তা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকেও অনুপ্রাণিত করবে।‘
ফরিদপুরের সর্বস্তরের জনতার দাবি শক্তি ডি গুপ্তা ফরিদপুর ৩ সংসদীয় আসনে প্রার্থী হয়ে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাবেন। জনগণের দাবির মুখে ডি গুপ্তা মনস্থ করেছেন জনগণকে সেবার ব্রত নিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর ৩ থেকে প্রার্থী হবেন।
ফরিদপুরের সামাজিক অঙ্গনে শক্তি ডি গুপ্তা শক্তিশালী অবস্থা তৈরি করেছেন। রাজনৈতিক অঙ্গনেও তিনি শক্ত অবস্থান নিশ্চিত করতে চান।
