শুক্রবার | মার্চ ২০ | ২০২৬

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

ঈদ মানেই আনন্দ ভাগ করে নেওয়া। এই আনন্দকে আরও অর্থবহ করতে দেশের শীর্ষ ডিজিটাল সার্ভিস প্ল্যাটফর্ম পাঠাও তাদের রাইডার ও ডেলিভারি পার্টনারদের জন্য আয়োজন করেছে বিশেষ ‘পাঠাও ঈদ বাজার’। সারা বছর নিরলসভাবে কাজ করা পাঠাও হিরোদের সম্মান জানাতে এবং তাদের উৎসবের আনন্দে সামিল করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রাইড শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি ও পার্সেল সার্ভিসের মাধ্যমে প্রতিদিন লাখো মানুষের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন পাঠাও হিরোরা। তাদের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই বিশেষ আয়োজন করা হয়। এতে পাঠাওয়ের রাইডস, ফুড এবং পার্সেল সার্ভিসের সেরা ৫০০ জন পারফর্মিং রাইডার ও ডেলিভারি পার্টনারকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। এই ‘ঈদ বাজার’ থেকে তারা নিজেদের এবং পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় ঈদের সামগ্রী সংগ্রহের সুযোগ পান, যাতে পরিবারের সঙ্গে আনন্দঘন পরিবেশে ঈদ উদযাপন করতে পারেন।

পাঠাও এর ভাইস প্রেসিডেন্ট আবরার হাসনাইন বলেন, “পাঠাওয়ের প্রতিটি অর্জনের পেছনে আমাদের রাইডার ও পার্টনারদের অবদান সবচেয়ে বেশি। তারাই আমাদের প্রতিষ্ঠানের মেরুদণ্ড এবং প্রকৃত হিরো। এই ঈদ উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই এবং চাই তারা যেন পরিবারের সঙ্গে আনন্দের সঙ্গে উৎসব উদযাপন করতে পারেন।”

উৎসব আয়োজনের পাশাপাশি পাঠাও তাদের রাইডারদের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণেও কাজ করছে। এরই অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি পদ্মা ডায়াগনস্টিক লিমিটেডের সঙ্গে একটি স্বাস্থ্যসেবা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির আওতায় পাঠাও হিরোরা এখন থেকে রেডিওলজি ও প্যাথলজি সেবায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পাবেন। রাইডারদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি।

পাঠাওয়ের সঙ্গে যুক্ত অনেক রাইডারের জীবনগল্প সংগ্রাম ও সাফল্যে ভরা। দীর্ঘদিন ধরে এই প্ল্যাটফর্মে কাজ করে অনেকেই তাদের পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নতি করেছেন এবং সন্তানদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে পেরেছেন। তাদের এই অদম্য প্রচেষ্টার পাশে থাকতে পেরে পাঠাও গর্বিত বলেও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত পাঠাও বর্তমানে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। রাইড শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি ও ই-কমার্স লজিস্টিকস সেবার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি ১৫ মিলিয়নেরও বেশি ব্যবহারকারীকে সেবা দিচ্ছে। প্রায় ৪ লাখ পাঠাও হিরো ও ডেলিভারি এজেন্ট, ২ লাখ মার্চেন্ট এবং ১৫ হাজার রেস্টুরেন্ট নিয়ে পরিচালিত এই প্ল্যাটফর্ম ইতোমধ্যে বাংলাদেশে ৬ লাখের বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছে, যা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

Share.
Exit mobile version