মঙ্গলবার | মার্চ ৩ | ২০২৬

সাবেক র‍্যাব ও পুলিশপ্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন তাঁর জবানবন্দিতে জানিয়েছেন, র‍্যাবের অধীনে থাকা গুম, গোপন বন্দিশালা ও টর্চার সেল ছিল সরাসরি সরকারি নির্দেশনায় পরিচালিত।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যানুসারে ২৪ মার্চ ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে দেওয়া লিখিত জবানবন্দিতে সাবেক পুলিশ প্রধান বলেন, “র‍্যাবের সদর দপ্তরে টিএফআই সেল পরিচালিত হতো। উত্তরার র‍্যাব-১ কম্পাউন্ডেই এর অবস্থান ছিল। এ ছাড়া বিভিন্ন র‍্যাব ইউনিটের নিজস্ব সেলও ছিল।”

তিনি বলেন, “সরকারের পক্ষ থেকে ভিন্নমতাবলম্বী বা হুমকিস্বরূপ কাউকে তুলে আনা, নির্যাতন, গুম করে রাখা র‍্যাবের সংস্কৃতি হয়ে গিয়েছিল। এসব কর্মকাণ্ড সমন্বয় করতেন অতিরিক্ত ডিজি (অপারেশন) ও গোয়েন্দা বিভাগের পরিচালক।”

জবানবন্দিতে তিনি আরও জানান, “প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকেই সিরিয়াস নির্দেশনা আসত বলে শুনতাম। কোনো কোনো সময় নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারিক সিদ্দিকের পক্ষ থেকেও নির্দেশ আসত।”

ব্যারিস্টার আরমানকে গুম করার ঘটনাও এই সেলে ঘটেছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “টিএফআই সেলে বন্দি থাকলেও আমার সময়ে তাঁকে আনা হয়নি। আমাকে দায়িত্ব গ্রহণকালে সাবেক ডিজি বেনজির আহমেদ এই তথ্য দেন।”

জবানবন্দির শেষ অংশে সাবেক আইজিপি বলেন, “সরকারি নির্দেশে গুলি, নির্যাতন, গুম ও বিচারবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে পুলিশ বাহিনী জড়িত ছিল। আমি লজ্জিত, অনুতপ্ত ও ক্ষমাপ্রার্থী।”

Share.
Exit mobile version