নিজস্ব প্রতিবেদক:
চট্টগ্রামের রাউজান পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতিপক্ষের গুলিতে যুবদলের এক নেতা হত্যার শিকার হয়েছেন। শনিবার (২৫ অক্টোবর) বিকেল সোয়া চারটার দিকে রশিদুল পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতের নাম আলমগীর ওরফে আলম (৫৫)। তিনি পূর্ব রাউজান সিদ্দিক চৌধুরী বাড়ির আব্দুর রহিমের ছেলে বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় রিয়াদ (২৫) নামে আরও একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
রাউজান থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে দৈনিক সংবাদ প্রবাহকে জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে প্রতিপক্ষের গুলিতে আলমগীর নিহত হয়েছেন।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। সন্ত্রাসীদের শনাক্ত করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে। বিস্তারিত তদন্ত শেষে জানা যাবে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,বিকেলে দুর্বৃত্তরা আলমগীরকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পরে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে লাশ সড়কের পাশে ফেলে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করে। নিহতের শরীরে অন্তত পাঁচটি গুলি চিহ্ন রয়েছে বলে জানা গেছে।
নিহত আলমগীর নিজ এলাকায় যুবদল নেতা হিসেবে পরিচিত। তবে তাৎক্ষণিকভাবে রাজনীতিতে তিনি কোন নেতার অনুসারী সে ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।
গত ১৪ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় একাধিক হত্যার ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রামের রাউজানে। এর আগে গত ৭ অক্টোবর হাটহাজারীর মদিনার ঘাট এলাকায় একই ধরনের হামলায় নিহত হয়েছিলেন রাউজানের বাসিন্দা বিএনপি কর্মী আবদুল হাকিম। সে সময় তাকে অনেকটা ফিল্মি স্টাইলে গাড়িতে বসা অবস্থায় গুলি করা হত্যা করা হয়।
আব্দুল হাকিম হত্যার রেশ কাটতে না কাটতে আবারো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে যুবদল নেতাকে। যুবদল নেতার হত্যার বিষয়টি নিয়ে এলাকার মধ্যে বেশ আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
