সোমবার | আগস্ট ৩১ | ২০২৬

রত্নাগর্ভা নারী, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ ড. মঞ্জুশ্রী চৌধুরী’র আজ ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী। সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার আকিলপুরের কৃতি সন্তান ড. মঞ্জুশ্রী চৌধুরী ২০০৬ সালের ১১ জুন পরলোক গমন করেন।

শিক্ষা অঙ্গনে একটি পরিচিত নাম ড. মঞ্জুশ্রী চৌধুরী। তিনি ১৯৪১ সনে সিলেট এম. সি কলেজ থেকে ডিস্টিংশনসহ বি. এ. পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯৫২- ৫৩ সালে তিনি ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজ থেকে প্রথম শ্রেণী পেয়ে বি.টি. পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯৬০ সালে তিনি প্রধান শিক্ষায়িত্রীর পদে উন্নীত হন। স্বাধীন বাংলাদেশে তিনিই প্রথম বাংলাদেশের পতাকা শীর্ষক একটি প্রতীকী ব্যঞ্জনাময় কথিকা লিখে বাংলাদেশ বেতারে তার লিখিত বক্তব্য সম্প্রচার করেছিলেন (জানুয়ারি ১৯৭২)। তার পি.এইচ.ডি গবেষণার বিষয় রবীন্দ্রনাথের রূপক সাংকেতিক নাটক। স্বাধীন বাংলাদেশে নতুন পাঠ্যপুস্তক রচনায় মঞ্জুশ্রী চৌধুরী অন্যতম প্রণেতা। ১৯৭৮ সনে তিনি বেগম বদরুন্নেসা সরকারি গার্লস কলেজে বাংলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক পদে নিযুক্ত হন। তাঁর জ্যেষ্ঠপুত্র ড. শুভাগত চৌধুরী চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ, চিকিৎসা বিজ্ঞানের গ্রন্থ প্রণেতা ও কলাম লেখক। কনিষ্ঠ পুত্র ড. অরূপরতন চৌধুরী বারডেমের ডেন্টাল বিভাগের ভিজিটিং প্রফেসর। তিনি একজন শব্দসৈনিক, রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী এবং মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধী সংস্থা (মানস) এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। একমাত্র কন্যা ড. মধুশ্রী ভদ্র ঢাকা কলেজের উদ্ভিদ বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপিকা। ১৯৯৫ সালে আকিলপুর গ্রামে প্রতিষ্ঠিত ‘প্রতিভা পাঠাগার’ এর মধ্য দিয়ে মঞ্জুশ্রী একাডেমির স্বপ্ন রচনা হয় এবং ইতোমধ্যে ৭০টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।

Share.
Exit mobile version