বুধবার | মার্চ ৪ | ২০২৬

গাজায় যুদ্ধবিরতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র, মিশর, কাতার ও তুরস্কের নেতারা সোমবার (১৩ অক্টোবর) ‘গাজা ঘোষণাপত্রে’ স্বাক্ষর করেছেন। মিশরের শারম আল-শেখ শহরে আয়োজিত শীর্ষ সম্মেলনে এই চুক্তি স্বাক্ষর হয়। খবর এএফপি’র।

ঘোষণাপত্র স্বাক্ষরের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একে “মধ্যপ্রাচ্যের জন্য একটি অসাধারণ দিন” বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “আজকের এই চুক্তি টিকে থাকবে—এটি কেবল একটি যুদ্ধবিরতি নয়, এটি শান্তির নতুন অধ্যায়।”

গাজা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরের আগে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে বন্দি ও জিম্মি বিনিময় সম্পন্ন হয়। হামাস উপত্যকায় দুই বছর ধরে আটক রাখা সর্বশেষ ২০ জন ইসরায়েলিকে মুক্তি দেয়, আর এর বিনিময়ে ইসরায়েল কারাগার থেকে ১ হাজার ৯৬৮ জন ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে।

এর আগে ট্রাম্প ইসরায়েলে ঝটিকা সফরে গিয়ে পার্লামেন্টে ভাষণ দেন এবং প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রশংসা করেন। এরপর তিনি মিশরে গাজা শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেন। সেখানে মিশরের প্রেসিডেন্ট, কাতারের আমির ও তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তিনি যৌথভাবে ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেন।

শারম আল-শেখের রিসোর্টে আয়োজিত বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, “এই ভূখণ্ডের মানুষ বহু বছর ধরে সত্যিকারের শান্তির দিন দেখেনি। আজ সেই দুঃস্বপ্নের অবসান ঘটল।”

চুক্তি স্বাক্ষরের পর ইসরায়েলি পার্লামেন্টে ট্রাম্পকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। দীর্ঘ করতালির মধ্য দিয়ে তিনি বলেন, “৭ অক্টোবর ২০২৩ থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধের ভার গর্বিত জাতি হিসেবেই ইসরায়েল বহন করেছে।”

জিম্মি পরিবারের সমর্থনে তেল আবিবে জড়ো হওয়া জনতা জিম্মি মুক্তির খবরে উল্লাসে ফেটে পড়ে। অনেকে আনন্দে কান্নায় ভেঙে পড়েন। একই সময় অধিকৃত পশ্চিম তীরে মুক্ত বন্দিদের স্বাগত জানাতে রাস্তায় নেমে আসে হাজারো মানুষ, স্লোগান দেয় “আল্লাহু আকবার।”

Share.
Exit mobile version