গাজায় হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। শনিবার (৪ অক্টোবর) ইসরায়েলের বিমান হামলায় কমপক্ষে ৭০ জন নিহত হয়েছেন। চিকিৎসক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। হামাস আংশিকভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি প্রস্তাব মেনে নিতে রাজি হওয়ার পরও ইসরায়েল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
দুর্ভিক্ষকবলিত গাজা সিটিতে ইসরায়েলের নৃশংস অভিযানে কমপক্ষে ৪৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হন। তুফফাহ এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে হামলায় ১৮ জন মারা গেছেন এবং আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আশপাশের ভবনগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দক্ষিণ গাজার আল-মাওয়াসি এলাকায় বিমান হামলায় দুই শিশু নিহত হয়েছেন এবং অন্তত আটজন আহত হয়েছেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প হামাসকে দ্রুত জিম্মি মুক্তি দিতে এবং যুদ্ধ বন্ধে শান্তি পরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, না হলে সবই হাতছাড়া হয়ে যাবে। তিনি সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, কোনো ধরণের বিলম্ব মেনে নেওয়া হবে না এবং দ্রুত ন্যায্য সমাধান করতে হবে।
মিসরে ট্রাম্পের দূতরা জিম্মি মুক্তির কারিগরি বিষয় চূড়ান্ত করবেন এবং স্থায়ী শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনা করবেন। মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সোমবার ইসরায়েল ও হামাসের প্রতিনিধিদল মিসরে বসে আলোচনা করবে।
হামাস ট্রাম্পের প্রস্তাবের কিছু অংশ মেনে নিয়েছে, যেমন গাজা থেকে ইসরায়েল সেনা প্রত্যাহার করবে এবং বন্দি বিনিময়। তবে হামাস অস্ত্র সমর্পণ করতে রাজি কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে সব জিম্মি ও বন্দি বিনিময় শুরু হবে এবং পরবর্তী সেনা প্রত্যাহারের শর্তগুলো নির্ধারণ করা হবে।
