বুধবার | মার্চ ৪ | ২০২৬

বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ৭৭. মিলিয়ন মানুষ সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে। এর মধ্যে ৭০% তরুণতরুণী যার ৪০% অপ্রাপ্তবয়স্ক। প্রশ্ন জাগে তাঁরা এই সামাজিক মাধ্যম থেকে কী শিখছে, কী দেখছে, আর কোন পথে যাচ্ছে আমাদের নতুন প্রজন্ম? সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিষাক্ত ভাষা জাতিকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে?

ফেসবুক ইউটিউবে অশোভন শব্দ ব্যবহারের এক ভয়াবহ মহামারী ছড়িয়ে পড়েছে।  মিলিয়ন ফলোয়ার থাকা ইউটিউবার, ফেসবুক ব্লগার বা সেলেব্রিটিরা মুখের ভাষা, শরীরীভঙ্গি, এমনকি কনটেন্টের মধ্য দিয়েও অশ্লীলতা ছড়িয়ে দিচ্ছেন। অথচ তারাই সমাজে জ্ঞানবিতরণের ভান করেন। প্রশ্ন হলো তাঁরা কী তাদের নিজের সন্তানদের সামনেও এমন ভাষাব্যবহার করতে পারেন?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সাম্প্রতিক মিছিলে ভয়াবহ অশোভন স্লোগান আমরা প্রত্যক্ষকরেছি। টকশোতেও একই দৃশ্য। এমনকি ধর্মীয় মাহফিলে ওয়াজের নামে নোংরা, অশ্লীল বক্তব্যও নিয়মিত দেওয়া হচ্ছে। মহামারী হয়ে আসা বিষাক্ত ভাষা কীভাবে বন্ধ হবে? দেখার কেউ নেই

বাংলা নাটকগুলোতেও আজ প্রমিত উচ্চারণ, শালীন সংলাপ নৈতিক বার্তার অভাব প্রকট হয়ে উঠছে।

নেলসন ম্যান্ডেলা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেনশিক্ষাই হলো সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র, যাদিয়ে আপনি পৃথিবীকে পরিবর্তন করতে পারেন।

তাহলে প্রশ্ন হলো, আমরা কি আমাদের সন্তানদের হাতে শিক্ষার আলোর মশাল  তুলে দিচ্ছি, নাকি অশোভনতার অন্ধকারে ঠেলে দিচ্ছি?

আতাউর বাবুল

লেখক: কলামিস্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে কর্মরত প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ

Share.
Exit mobile version