মঙ্গলবার | মার্চ ৩ | ২০২৬

ব্যাপক বিক্ষোভ ও সহিংসতার ঘটনায় নেপালের প্রধানমন্ত্রী খড়গ প্রসাদ (কে পি) শর্মা অলি মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) পদত্যাগ করেছেন। বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েট প্রেস (এপি) এই তথ্য জানিয়েছে। এর আগে সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখকও পদত্যাগ করেছিলেন।

বিক্ষোভ ও সংঘর্ষ মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর সরকার প্রদত্ত নিষেধাজ্ঞা এবং তরুণ প্রজন্মের অসন্তুষ্টি থেকে শুরু হয়। সোমবার রাজধানী কাঠমান্ডুসহ অন্তত সাতটি শহরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে বেশির ভাগই তরুণ বা জেন-জি প্রজন্মের। কাঠমান্ডুতে পুলিশের প্রতিবন্ধকতা ভেঙে একপর্যায়ে পার্লামেন্ট ভবনে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারীরা।

নেপালের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণ করতে লাঠিপেটা, কাঁদানে গ্যাস, রাবার বুলেট ও জলকামান ব্যবহার করে। একপর্যায়ে গুলিও চালানো হয়। এই সংঘর্ষে অন্তত ১৯ জন নিহত এবং শতাধিক মানুষ আহত হন। মঙ্গলবার সকালে তরুণদের নেতৃত্বে নতুন বিক্ষোভের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর থেকে সরকারের পূর্বে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়।

গত সপ্তাহে নেপাল সরকার ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, লিংকডইন, ইউটিউব, হোয়াটসঅ্যাপ, এক্সসহ ২৬টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বার্তা আদান–প্রদানের অ্যাপের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। নতুন নিয়মনীতি মেনে না চলার কারণ দেখিয়ে এই বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। তবে টিকটকসহ পাঁচটি প্রতিষ্ঠান এই বিধিনিষেধের আওতার বাইরে ছিল। এই নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে দেশজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

Share.
Exit mobile version