মঙ্গলবার | মার্চ ৩ | ২০২৬

গাজায় অবশেষে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। স্থানীয় সময় শুক্রবার দুপুর ১২টা (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা) থেকে এ যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।

আইডিএফ এক বিবৃতিতে জানায়, সেনারা ‘সমঝোতা অনুযায়ী নির্ধারিত নতুন অবস্থানে মোতায়েন সম্পন্ন করেছে।’ দক্ষিণ কমান্ডের সদস্যরা এলাকায় অবস্থান করছে এবং তারা ‘যে কোনো তাৎক্ষণিক হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকবে।’

ইসরায়েল জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর গাজায় নিষেধাজ্ঞা ছাড়াই মানবিক সহায়তা প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ত্রাণ সংস্থাগুলো সহায়তা কার্যক্রম শুরু করেছে।

চুক্তি অনুযায়ী, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অবশিষ্ট ইসরায়েলি জিম্মি ও প্রায় ১,৭০০ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হবে। হামাসের জন্য এই সময়সীমা সোমবার দুপুর পর্যন্ত। তবে বন্দিমুক্তি কার্যক্রমের স্থান ও সময় এখনও ঘোষণা করা হয়নি।

মাত্র ১২ ঘণ্টা আগে ইসরায়েল নিশ্চিত করে যে তারা যুদ্ধবিরতি ও বন্দিমুক্তি চুক্তি মেনে নিয়েছে, যা গাজা যুদ্ধের সম্ভাব্য সমাপ্তির ইঙ্গিত দিচ্ছে। এরপর সেনারা সমঝোতাকৃত অবস্থানে ফিরে যায় এবং আইডিএফ আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেয়।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী এক মধ্যরাতের বিবৃতিতে বলেন, “আমরা এক ঐতিহাসিক মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আছি।” যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর গাজা ও ইসরায়েল উভয় অঞ্চলে স্বস্তি ও আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে।

যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা সমন্বয় সহায়তার জন্য ২০০ সেনা পাঠিয়েছে, তবে তারা গাজায় প্রবেশ করবে না। এদিকে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদি শান্তি এখনো অনিশ্চিত; ভবিষ্যৎ আলোচনায় ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন ও কর্তৃপক্ষের ভূমিকা বড় ইস্যু হয়ে থাকবে।

Share.
Exit mobile version