সোমবার | মার্চ ২ | ২০২৬

ওমান দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটার বি.এম মোস্তাক আহমেদ। মাঠ এবং মাঠের বাইরের নানা বিষয় নিয়ে দৈনিক সংবাদ প্রবাহের সাথে কথা বলেছেনবাংলাদেশ ক্রিকেট ক্লাবওমানএর বাংলাদেশী খেলোয়াড় মোস্তাক। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন কাজী বনফুল-

 

ওমানের মাঠে বাংলাদেশী ক্রিকেটার মোস্তাক

বনফুল: ওমানে বাংলাদেশ ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে খেলছেন কেমন লাগছে?

মোস্তাক: ক্রিকেট আমার সবচেয়ে বড় আবেগের জায়গা, আমি ক্রিকেটকে অনেক ভালোবাসি। ওমান ক্রিকেট লিগে ক্রিকেট খেলতে পারা সত্যিই দারুণ অনুভূতি। ওমানের স্থানীয় আরবরা যখন আমাকে বাংলাদেশের মোস্তাক বলে ডাকে তখন মনটা আনন্দ গর্বেভরে যায়।

বনফুল: ওমানে ক্রিকেটে প্রবেশের ইতিহাসটা যদি একটু বলতেন

মোস্তাক: আসলে ওমানে আমি আমার মামার গাড়ির ওয়ার্কশপে কাজের উদ্দেশ্যই আসিকিন্তু এখানে এসে দেখলাম ওমানে ক্রিকেটের ভালো চাহিদা। বিভিন্ন দেশ থেকে আগত ক্রিকেটাররা এখানে প্রতি শুক্রবারে ক্রিকেট খেলে এবং বড় বড় টুর্নামেন্ট হয়। আমিও সেখানে অংশগ্রহণ করি। আমার পারফর্ম দেখে ওখানে অবস্থানরতবাংলাদেশ ক্রিকেট ক্লাবওমানএর কোচ জহির ভাই জুবায়ের ভাই আমাকে ডেকে নেন। তারপর থেকে ওমান ক্রিকেটে আমার যাত্রা শুরু হয় এবং এখনো আমি আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছি ভালো পারফর্ম করার।

বনফুল: ক্রিকেটে ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার নিয়ে কী ভাবছেন

মোস্তাক: আসলে এখানে সব সময় ক্রিকেটে সময় দিতে পারি নাকারণ গাড়িরওয়ার্কশপেরও দায়িত্ব পালন করতে হয় এবং পাশাপাশি ক্রিকেট প্র্যাকটিসের বিষয়টি তোআছেই। তবে যদি বাংলাদেশ সরকার প্রবাসী ক্রিকেটারদের জন্য যদি কোনো বিশেষ সুবিধাপ্রদান করতো তাহলে আরো বেশি বেশি সময় দিতে পারতাম ক্রিকেটে। বিদেশের মাটিতে ক্রিকেটে ক্যারিয়ার গড়তে আর্থিক নিশ্চয়তা গুরুত্বপূর্ণ। এক সাথে দুটি দিক সামলানো খুবই মুশকিল তাতে দুটিরই ভারসাম্য নষ্ট হয়।

বনফুল: বিদেশের মাটিতে ক্রিকেট কেমন উপভোগ করছেন?

মোস্তাক: আসলে এখানে অনেক দেশের মানুষ আছে, অনেক দেশের মানুষ এক সাথে ক্রিকেট খেলে। এটি একটি গুরত্বপূর্ণ সম্প্রীতির জায়গা যেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর বিভিন্ন দেশের মানুষের সাথে ক্রিকেট খেলাটা অবশ্যই আনন্দের তাতে এক দিকে তাদের সাথে যেমন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপিত হয় পাশাপাশি তাদের সাংস্কৃতিক দিকটিও আমরা জানতে পারি।

বনফুল: সর্বশেষ কারো উদ্দেশ্য কিছু কি বলতে চান?

মোস্তাক: আসলে প্রিয়জন তো অনেক আছে। অনেকের উদ্দেশ্যেই অনেক কিছু বলতে ইচ্ছে করছে কিন্তু সবাইকে তো আর বলা সম্ভব নয়তাই সকলের উদ্দেশ্যে বলতে চাই আমার জন্যদোয়া করবেন যাতে বিদেশের মাটিতে নিজের দেশের মান, মর্যাদা বৃদ্ধি করতে পারি। বিশেষ করে আমার কোচ জহির ভাই টিমমেট জুবায়ের ভাইয়ের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ভালোবাসাকারণ সুদূর ওমানে তাদের ভালোবাসা স্নেহের কারণে দেশের কথা কিছুটা হলেও ভুলে থাকতে পারি। সেই সাথে আমার রাজ্জাক মামা আমার বড় ভাই মনিরকে ধন্যবাদ দিতে চাই। তাঁরা আমাকে ক্রিকেটের প্রতি উৎসাহ প্রদান করে আমাকে অনুপ্রাণিত করেছেন।

আমার শুভাকাঙ্ক্ষী সকলের প্রতি আমার অজস্র ভালোবাসা কৃতজ্ঞতা। প্রবাস ও দেশের সকলের ভালোবাসার মোস্তাক হয়ে থাকতে চাই। 

Share.
Exit mobile version