মঙ্গলবার | মার্চ ৩ | ২০২৬

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির মাটিতে অনুমানিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতাদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশবিরোধী কোনো কার্যক্রমের প্রমাণ নেই। পাশাপাশি, ভারত সরকারের কাছে এমন কোনো তথ্যও নেই যা দেশের আইন লঙ্ঘন করছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রন্দীর জাইসওয়াল বুধবার সাংবাদিকদের বলেন, “ভারত সরকার অন্য দেশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কার্যক্রম ভারতের মাটি থেকে পরিচালনা হতে দেয় না। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সাম্প্রতিক বিবৃতি তাই ভিত্তিহীন।”

তবে তিনি যোগ করেন, ভারত আশা করে বাংলাদেশে দ্রুততম সময়ে মুক্ত, স্বচ্ছ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, যাতে দেশের জনগণের ইচ্ছা ও ম্যান্ডেট প্রতিফলিত হয়।

এর আগে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ভারতের কাছে আহ্বান জানিয়েছিল, যে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক যাতে ভারতের মাটিতে বসবাস করে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ না করে। পাশাপাশি ভারতীয় মাটিতে নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অফিসসমূহ বন্ধ করারও দাবি করা হয়েছে।

ঢাকার দাবি, নয়াদিল্লি ও কলকাতায় দলটির কার্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে ভারত থেকে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী কার্যক্রম বৃদ্ধি পাচ্ছে। দলের অনেক সিনিয়র নেতা, যারা মানবতাবিরোধী গুরুতর মামলায় পলাতক, ভারতে অবস্থান করছেন।

স্মরণযোগ্য, চলতি বছরের ২১ জুলাই, একটি অজ্ঞাত NGO-এর আড়ালে দলের কিছু সিনিয়র নেতা দিল্লি প্রেস ক্লাবে গণসংযোগ কর্মসূচি আয়োজন করেছিলেন এবং সাংবাদিকদের মাঝে বুকলেট বিতরণ করেছিলেন।

ভারতের বিভিন্ন মিডিয়ায়ও দলের মাটিতে কার্যক্রমের ক্রমবর্ধমান পদক্ষেপ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার এই পরিস্থিতি দুই দেশের আস্থা ও সম্পর্কের জন্য ঝুঁকি হিসেবে দেখছে।

Share.
Exit mobile version