মঙ্গলবার | মার্চ ৩ | ২০২৬

ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মি-মুক্তির চুক্তির ঘোষণাকে বিশ্বনেতারা স্বাগত জানিয়েছেন। প্যারিসভিত্তিক সংবাদ সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, এই চুক্তির মাধ্যমে গাজায় দুই বছরের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের অবসান ঘটতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

ফিলিস্তিন
ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস বলেছেন, তিনি আশা করেন, এই চুক্তি ‘স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানে পৌঁছানোর একটি সহায়ক ভূমিকা’ রাখবে, যা স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথে সহায়তা করবে।

জাতিসংঘ
জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস সকল জিম্মিকে ‘মর্যাদার সঙ্গে’ মুক্তি দেওয়ার এবং স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “যুদ্ধ এখনই চিরতরে বন্ধ করতে হবে।” একইসঙ্গে গাজায় অবিলম্বে ও নিরবচ্ছিন্নভাবে মানবিক সাহায্য প্রবেশেরও আহ্বান জানান তিনি।

তুরস্ক
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশংসা করে বলেন, “যুদ্ধবিরতির জন্য ইসরায়েলি সরকারকে উৎসাহিত করার প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক ইচ্ছাশক্তি প্রদর্শন করেছেন ট্রাম্প।”

ইউরোপীয় ইউনিয়ন
ইইউ’র পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কাজা ক্যালাস এই চুক্তিকে “একটি বড় কূটনৈতিক সাফল্য” হিসেবে বর্ণনা করেন। তাঁর ভাষায়, “এটি সংঘাতের অবসান এবং জিম্মিদের মুক্তির জন্য এক বাস্তব সুযোগ।”
ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি একে “অসাধারণ খবর” বলে মন্তব্য করেছেন। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ আশা প্রকাশ করেছেন, চুক্তিটি “রাজনৈতিক সমাধানের পথ খুলে দেবে।”
জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ উন্নয়নগুলোকে “উৎসাহজনক” বলে অভিহিত করেছেন এবং বলেন, “এই সপ্তাহেই একটি টেকসই সমাধান আসতে পারে বলে আমি আশাবাদী।”
স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ বলেন, এখন বেসামরিক জনগণকে সহায়তা করতে হবে যাতে “এই নৃশংসতা আর কখনো পুনরাবৃত্তি না ঘটে।”

যুক্তরাজ্য
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার মধ্যস্থতাকারী দেশসমূহ—মিশর, কাতার, তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের—‘অক্লান্ত কূটনৈতিক প্রচেষ্টার’ প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, “এই যুদ্ধবিরতি চুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ, যা স্থায়ী শান্তির পথ তৈরি করতে পারে।”

Share.
Exit mobile version