বন্দরনগরী চট্টগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা লালখান বাজারে অবস্থিত হাইওয়ে সুইটসেরমিষ্টিতে তেলাপোকাসহ নানান অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য তৈরি, প্রস্তুত করা খাবার বিক্রয় কর্মীদের চলাচলের রাস্তায়অস্বাস্থ্যকর ভাবে প্রস্তুত করা খাবার ফেলে রাখার প্রত্যক্ষ প্রমাণ পাওয়ার কারণে নগরীরবিখ্যাত এবং স্বনামধন্য হাইওয়ে সুইটসকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপ–পরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ, সহকারী পরিচালক মো. আনিছুর রহমান, মাহমুদা আক্তার ও রানা দেবনাথ অভিযান পরিচালনা করে রবিবারে (৯ নভেম্বর) এই জরিমানা করেন।
উপ–পরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ গণমাধ্যমকে জানান, হাইওয়ে সুইটস নামক প্রতিষ্ঠানে মিষ্টির শিরার মধ্যে ছোট–বড় বিভিন্ন ধরনের তেলাপোকা মরে পড়ে থাকা ও অস্বাস্থ্যকর অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণ করার কারণে দেড় লাখটাকা অর্থদণ্ড করা হয়। এছাড়া পণ্যের মোড়ক বিধি লঙ্ঘণ করায় একই এলাকায় মুক্তি ফার্মেসিকে দশ হাজার টাকা, মেয়াদবিহীন খাদ্য দ্রব্য বিক্রি করায় ওরেগানো মোনাফাভান্ডারী মার্কেট নামক একটি দোকানকে ১০ হাজার টাকা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যউৎপাদনে প্রক্রিয়াকরণের জন্য নিউ প্রিন্স হোটেলকে ৪ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম নগরীর অধিকাংশ মানুষের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে হাইওয়ে সুইটস এন্ডকনফেকশনারি। তাদের মতো জনপ্রিয়তা পাওয়া নামকরা প্রতিষ্ঠানে এমন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার উৎপাদনের খবর গোটা চট্টগ্রামবাসীকে অবাক করে দিয়েছে।
মিনহাজুল আবেদীন নামক একজন ক্রেতা দৈনিক সংবাদ প্রবাহকে জানান,
হাইওয়ে সুইটসের মতো গ্রহণযোগ্য এবং বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান যেখানে ভোক্তাদের অধিকারকেসংরক্ষণ করছে না সেখানে আর কারোর বিশ্বাস নেই। আজকে থেকে চট্টগ্রাম নগরীতে মিষ্টি এবং কনফেকশনারি জাতীয় খাবার খাওয়া বন্ধ করেদিতে হবে।
এছাড়াও আশেপাশের অনেক ক্রেতারা হাইওয়ে সুইটসে ভোক্তা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা অভিযান পরিচালনা করে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য তৈরির প্রমাণ মিলেছে এমন খবরে রীতিমতো অবাক হয়ে গেছে।

