‘গাছ লাগাও,পরিবেশ বাঁচাও‘ আন্দোলন এখনো সারা বাংলাদেশে চলছে। অথচ কয়েক মাস আগে জামালপুর জেলার মেলান্দহ থানার ৬ নং আদ্রা ইউনিয়নের অন্তর্গত বালুআটা গ্রামের কয়েকশত বছরের ঐতিহ্যবাহী বালুআটা ঈদগাহ ময়দানের চারপাশের মেহগনি, কড়ই, জাম ইত্যাদি গাছ নির্বিচারে কেটে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বালুআটা গ্রামের বাসিন্দা মির্জা রাব্বির নেতৃত্বে ইস্রাফিল, অটল, রফিক মেম্বার সহ আরও কয়েকজন সপ্তাহ ধরে গাছগুলো কেটে নিয়ে যায়। এ সময় গ্রামের মানুষ বাঁধা দিতে গেলে তাঁদেরকে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করা সহ মামলার ভয় দেখানো হয়।
এছাড়া কয়েকদিন দিন যাবত বালুআটা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন সরকারি কবরস্থানের প্রায় শতাধিক গাছ (জাম, মেহগনি, কাঁঠাল ইত্যাদি) কেটে নিয়ে গেছে বালুআটা ঈদগাহ মাঠেরগাছখেকো সেই রাব্বি, ইস্রাফিল, অটল, রফিক গং। গ্রামবাসি বাঁধা দিতে গেলে তাদেরকেধারালো অস্ত্রের ভয় দেখায় এবং মামলার হুমকি দেয় গাছখেকোরা।
এখানের জাম গাছগুলোতে প্রতি বছর প্রচুর জাম ধরে। কাঁঠালও ধরে কাঁঠাল গাছগুলোতে। জাম, কাঁঠাল গ্রামবাসী উৎসব করে খায়। অনেক জাম ধরায় পাখিদের আশ্রমে পরিণত হয় এলাকাটি।
কবরস্থানের গাছ কেটে নিচ্ছে দুর্বৃত্তরা
বিএনপি থেকে মনোনয়ন পাওয়ামোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের কাছের লোক পরিচয় দিয়ে নানা অপকর্ম করে যাচ্ছে এই মির্জারাব্বি, ইসরাফিল, অটল. রফিক মেম্বাররা। উল্লেখ্য, বালুআটা ঈদগাহ ও বালুআটা কেন্দ্রীয়জামে মসজিদ উভয় প্রতিষ্ঠানই মানুষের দান করা (ওয়াকফ) জমিতে প্রতিষ্ঠিত সরকারি সম্পত্তি। ঐতিহ্যবাহী বালুআটা ঈদগাহ ও সরকারি কবরস্থানের গাছ কাটার বিষয়ে মির্জা রাব্বি, ইসরাফিল, অটল কিংবা রফিক মেম্বারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী এহেন কাণ্ডে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তাঁরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

