সোমবার | মার্চ ২ | ২০২৬

ঢাকার প্রতিদিনের মতো আজও সকালে যানজট ছিল, তবে অন্যান্য দিনের চেয়ে আজ বুধবার পরিস্থিতি ছিল অনেক খারাপ। সকাল ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত রাজধানীর বেশিরভাগ সড়কেই গাড়ির লাইন নড়েনি বললেই চলে। বিশেষ করে বিজয় সরণি থেকে কারওয়ান বাজার পর্যন্ত পুরো রাস্তা ছিল থেমে থাকা গাড়িতে ভর্তি।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা সরওয়ার হোসেন জানিয়েছেন, বিএনপির তিনটি অঙ্গসংগঠনের তারুণ্যের সমাবেশের কারণে আজ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে হাজার হাজার মানুষ বাসে করে ঢাকায় এসেছেন। এছাড়া জামায়াত নেতা আজহারুল ইসলামের মুক্তির পর শাহবাগে হঠাৎ করে জমে যাওয়া ভিড়ও যানজট বাড়িয়েছে। দুটি বড় রাজনৈতিক সমাবেশ একদিনে হওয়ায় পুরো নগরজুড়ে গাড়ির চাপ বেড়ে যায়।

কারওয়ান বাজারের উঁচু ভবন থেকে তাকালে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর পর্যন্ত যতদূর চোখ যায়, কেবল বাস-প্রাইভেটকারের লম্বা লাইন। অনেক মানুষ বাস থেকে নেমে হেঁটেই গন্তব্যে রওনা হচ্ছেন।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ জানায়, ঢাকায় ঢোকার প্রায় সব প্রবেশপথেই আজ অতিরিক্ত গাড়ির চাপ দেখা গেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ডিএমপির সব পর্যায়ের কর্মকর্তা রাস্তায় নেমেছেন।

মগবাজারে আটকে থাকা চাকরিজীবী নাদিম মাহমুদ বলেন, ‘সকালে এক ঘণ্টা শাহবাগে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এখন মগবাজারে এসেও দেখি, রিকশাও নড়ে না। গাড়ি তো একেবারেই বন্ধ।’

ফার্মগেট পুলিশ বক্সের পাশে ট্রাফিক পুলিশের এক সদস্য বলছিলেন, ‘এই জ্যাম শাহবাগ পর্যন্ত ছড়িয়েছে। সমাবেশের কারণে পুরো এলাকা স্থবির।’ দুপুর ১টার দিকে শহরের প্রায় সব এলাকায় যানজট তীব্র আকার ধারণ করে। সন্ধ্যার আগে এই অবস্থার উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনাও খুব কম বলে জানিয়েছে ট্রাফিক বিভাগ।

Share.
Exit mobile version