প্যারিসের বাংলাদেশ দূতাবাসে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি পালন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দূতাবাস কার্যালয়ে এ উপলক্ষে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভায় গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য, আন্দোলনে প্রাণ হারানো ব্যক্তিদের অবদান এবং দেশে সুশাসন ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
ইউনেস্কোতে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি এবং ফ্রান্স ও মোনাকোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত খন্দকার এম. তালহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়। সঞ্চালনায় ছিলেন দূতালয় প্রধান মো. ওয়ালিদ বিন কাশেম। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করা হয় এবং আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
সভায় গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর লিখিত বাণী পড়ে শোনানো হয়। বাণীগুলো পাঠ করেন ডিফেন্স অ্যাটাশে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ খায়রুজ্জামান মোল্লা (এনডিসি, পিএসসি) এবং দূতাবাসের মিনিস্টার (কমার্শিয়াল) মিজানুর রহমান।
রাষ্ট্রদূত খন্দকার এম. তালহা তাঁর বক্তব্যে বলেন, গণঅভ্যুত্থানে প্রাণ হারানো ব্যক্তিদের অবদান জাতি স্মরণ রাখবে। এই চেতনাকে কাজে লাগিয়ে দেশের উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
দূতাবাস জানায়, ৫ আগস্ট মূল দিবসে প্রবাসীদের কনসুলার সেবা যেন স্বাভাবিক থাকে, সে কথা চিন্তা করে অনুষ্ঠানটি একদিন আগে ৪ আগস্ট আয়োজন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে দূতাবাসের মিনিস্টার (কমার্শিয়াল) মিজানুর রহমান, প্রথম সচিব শেখ মারেফাত তারিকুল ইসলাম ও দ্বিতীয় সচিব কে. এফ. এম. শারহাদ শাকিলসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া প্রবাসে বসবাসরত কমিউনিটি নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফ্রান্স বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এম এ রহিম, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুনায়েদ আহমেদ, ফারুক আহমেদ এবং নাগরিক পরিষদ ফ্রান্সের সভাপতি আবুল খায়ের লস্করসহ অন্যান্যরা।
