সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন করে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। গতকাল রোববার (২ নভেম্বর) সচিব আবু তাদের মো. মাসুদ রানা স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
নতুন সংশোধনীতে ‘বিধি ৭(২)(খ)’–এ ‘অন্যান্য বিষয়ে’ শব্দের পরিবর্তে ‘বিজ্ঞানসহ অন্যান্য বিষয়ে অন্যূন’ শব্দ যুক্ত করা হয়েছে। এতে বিজ্ঞানের পাশাপাশি অন্যান্য বিষয়ে স্নাতকদের অন্তর্ভুক্তি আরও স্পষ্ট হলো।
২০২৫ সালের ২৮ আগস্ট প্রকাশিত মূল বিধিমালায় ২০ শতাংশ পদ বিজ্ঞান বিষয়ে এবং ৮০ শতাংশ অন্যান্য বিষয়ে স্নাতকদের জন্য নির্ধারিত ছিল। নতুন সংশোধনে এটি আরও বিস্তৃত হয়েছে।
সংশোধিত বিধিতে উপজেলা বা থানাভিত্তিকভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের জন্য মোট ৫ শতাংশ কোটা বহাল রাখা হয়েছে।
চাকরিতে স্থায়িত্ব পেতে শিক্ষকদের নির্ধারিত শিক্ষানবিশকাল শেষে কর্মদক্ষতা ও আচরণে সন্তোষজনক বিবেচিত হতে হবে। ব্যর্থ হলে নিয়োগ বাতিল বা আগের পদে ফেরত পাঠানোর বিধান রাখা হয়েছে।
এছাড়া চার বছরের মধ্যে মৌলিক প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ৫০ বছর বয়সে পদোন্নতির যোগ্য শিক্ষকরা কিছু ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ ও পরীক্ষার শর্তে ছাড় পাবেন। ১২তম গ্রেডের প্রশিক্ষণবিহীন প্রধান শিক্ষকরা গ্রেড উন্নীত হওয়ার ১৮ মাসের মধ্যে মৌলিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন না করলে নিম্ন গ্রেডে অবনমিত হবেন।

