পাটের হারানো গৌরবের কথা স্মরণ করে দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে এর পুনরুজ্জীবনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি বলেন, “পাট নিয়ে কথা বলা মানে আবেগের জায়গায় হাত রাখা। এটি এমন একটি দেশ, বহু বছর ধরে যা বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক তন্তু উৎপাদন করে আসছে।”
রোববার ঢাকার আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ—বিডা অফিসে চীন-বাংলাদেশ বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “পাটকে এখনো কেবল বস্তা তৈরির তন্তু হিসেবে দেখা হয়। অথচ এটি এমন এক প্রাকৃতিক উপাদান, যা পরিবেশ ও পৃথিবী রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারত, যদি আমরা যথাযথ মূল্যায়ন করতাম।”
তিনি বলেন, “আমরা একসাথে কাজ করে পাটকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঠিক জায়গা দেওয়ার জন্য দারুণ একটি সূচনা করতে পারি।”
বাংলাদেশ জামদানি এবং বহু ধরনের ঐতিহ্যবাহী কাপড়ের ভূমি উল্লেখ করে ইউনূস বলেন, “পাটের বহুমুখী ব্যবহার সম্ভব। এটি শুধু অতীতের ঐতিহ্য নয়, ভবিষ্যতের সম্ভাবনাও।”
তিনি ঢাকাই মসলিনের উদাহরণ টেনে বলেন, এক সময় সেটি ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে খ্যাত ও মূল্যবান কাপড়। পাট নিয়েও তেমন কিছু করা সম্ভব।
এই সম্মেলনে চীনের ১০০টি কোম্পানির প্রায় ২৫০ জন বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ী অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে চীনের বাণিজ্যমন্ত্রী ওয়াং ওয়েনতাও এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনও বক্তব্য দেন।

