যশোরে এনফোর্সমেন্ট অভিযানে ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে ধরা পড়েছেন বেনাপোল কাস্টমস হাউসের রাজস্ব কর্মকর্তা শামীমা আক্তার ও তার সহযোগী এনজিও কর্মী হাসিবুর রহমান। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।
দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন রাজধানীর প্রধান কার্যালয়ে এক নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে জানান, গ্রেপ্তার দুই আসামিকে মঙ্গলবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত করছেন যশোর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আল আমীন, যিনি জানিয়েছেন—তাদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও আলামত উদ্ধার করা হয়েছে, যা তদন্তের জন্য রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।
দুদক জানায়, সরকারি কর্মকর্তা হয়েও শামীমা আক্তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে শুল্কায়নে সিএন্ডএফ এজেন্টদের কাছ থেকে ঘুষ আদায় করতেন। তার সহযোগী হাসিবুর রহমান নিয়মিতভাবে এসব ঘুষের টাকা সংগ্রহ করতেন। সোমবার বিকেলে যশোরের বেনাপোল কাস্টমস হাউস এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুদক টিম হাসিবুর রহমানকে ২ লাখ ৭৬ হাজার টাকাসহ হাতেনাতে আটক করে। পরে মঙ্গলবার দুপুরে যশোর শহরের কারবালা রোড এলাকা থেকে রাজস্ব কর্মকর্তা শামীমা আক্তারকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৬১/১৬২/১৬৩/১৬৪/১৬৫(ক)/১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ সালের ৫(২) ধারা অনুযায়ী মামলা করা হয়েছে। দুদক সূত্র জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামিকে সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় যশোরের জেলা ও সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

