আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) শতাধিক সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নতুন করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে যাচ্ছে— এমন দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও অন্তর্বর্তী সরকার একে ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও গুজব’ হিসেবে উড়িয়ে দিয়েছে।
রবিবার ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশের (ইউএনবি) এক প্রশ্নের জবাবে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, “এ ধরনের দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আইসিটির চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয় থেকে আমাদের জানানো হয়েছে, কোনো অতিরিক্ত প্রতিরক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার কোনো পরিকল্পনা নেই।”
তিনি বলেন, “জনগণ যেন এ ধরনের গুজব বা ভুয়া তথ্য বিশ্বাস না করেন। দেশের মানুষ, বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে এসব অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।”
প্রেস সচিব আরও জানান, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দেশকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে এই ধরনের গুজব ছড়ানো হচ্ছে।
শফিকুল আলম স্পষ্ট করে বলেন, সরকারের ডিজিএফআই (ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স) বাতিলের কোনো পরিকল্পনাও নেই। বরং সংস্থাটির কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে সীমান্ত ও বৈদেশিক গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধির দিকেই সরকার কাজ করছে।

