বুধবার | মার্চ ৪ | ২০২৬

নওগাঁর অস্থায়ী সেনা ক্যাম্প থেকে পরিচালিত সেনাবাহিনীর অভিযানে সন্ত্রাস, মাদক কারবার ও অন্যান্য অপরাধ দমনে শুরু হয়েছে কঠোর ‘অ্যাকশন’। চিহ্নিত সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী ও সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের ধরতে নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করছে সেনাবাহিনী।

ফলে সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি ও অপরাধীরা আতঙ্কে আত্মগোপনে চলে গেছে। গত কয়েক দিনে নওগাঁয় শীর্ষ সন্ত্রাসীসহ একাধিক চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। কেউ কেউ ছদ্মবেশ ধারণ করে গ্রেপ্তার এড়ানোর চেষ্টা করছে।

একের পর এক চিহ্নিত অপরাধী গ্রেপ্তারের ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।

অপরাধ দমনে সেনাবাহিনীর ভূমিকা প্রসঙ্গে এক রাজনৈতিক নেতা বলেন, “বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় এক অনন্য শক্তি হিসেবে কাজ করে। অপরাধ দমনেও তাদের দক্ষতা প্রমাণিত।”

তিনি আরও বলেন, “কোথায় কীভাবে কী করতে হবে, তা সেনাবাহিনী ভালোভাবেই জানে। কাজেই সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি, কিশোর গ্যাং এবং সমাজবিরোধীদের দমন করতে সেনাবাহিনীর কঠোর পদক্ষেপ দেশবাসীর প্রত্যাশিত। কারণ, সাধারণ মানুষের আস্থার প্রধান জায়গা সেনাবাহিনী “

সোমবার (২ জুন) দুপুর ১২টায় হাট নওগাঁর বাসিন্দা আকরাম হোসেনের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, “চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি অত্যন্ত ইতিবাচক। আমাদের মতো সাধারণ মানুষের মনে সেনাবাহিনীর অভিযান এক ধরনের স্বস্তি এনেছে।”

রিকশাচালক মিঠুন মিয়া বলেন, “আমরা গরিব মানুষ, হয়তো আমাদের কথার দাম নেই। কিন্তু আমরাও অনেক কিছু বুঝি। দিনরাত চলাফেরা করি, অনেক মহল্লায় যেতে হয়। যেসব ঘটনা দেখি বা শুনি, তাতে ভয় লাগে। তবে সেনাবাহিনী যখন অ্যাকশনে থাকে, তখন আমরা শান্তিতে থাকি।”

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, চিহ্নিত সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী, মাদক ব্যবসায়ী, মব সৃষ্টিকারী ও ডাকাত-ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর পাশাপাশি পুলিশ, র‍্যাব ও অন্যান্য সংস্থাও অভিযান জোরদার করেছে।

সেনা অভিযানে নওগাঁয় গত এক মাসে বিভিন্ন অপরাধে ২৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে কিশোর গ্যাং সদস্য, তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী, অপহরণকারী, চোরাচালানকারী, প্রতারক, দালাল চক্র, চাঁদাবাজ, ডাকাত ও ছিনতাইকারী রয়েছেন।

সংবাদদাতা:  এম রেজাউল ইসলাম, নওগাঁ

Share.
Exit mobile version